ঢাকা, ১০ জুন, ২০২৬
নিউজ ডেস্ক :
প্রকাশিত : ০৩:৪৭ এএম, ০৯ জুন ২০২৬
Digital Solutions Ltd

বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্ক আরও গভীর করতে জ্বালানি, বাণিজ্য ও শিক্ষাখাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির অঙ্গীকার

প্রকাশিত : ০৩:৪৭ এএম, ০৯ জুন ২০২৬

সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক :

বাংলাদেশ ও রাশিয়া জ্বালানি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা এবং কৌশলগত সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে পুনরায় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। মস্কোয় দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে।

সোমবার রাশিয়ার রাজধানীতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে মতবিনিময় হয়।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এটি ড. খলিলুর রহমানের প্রথম আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বিদেশ সফর। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে তিনি তিন দিনের সরকারি সফরে মস্কো যান।

বৈঠকে সের্গেই লাভরভ ড. খলিলুর রহমানকে ইউএনজিএর আসন্ন অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং সংস্থাটির কেন্দ্রীয় ভূমিকা জোরদারে রাশিয়া বাংলাদেশের এই নেতৃত্বকে সমর্থন করবে।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছরের জানুয়ারিতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে অর্থনীতি, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন কিছু উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ ও রাশিয়ার রাজনৈতিক সংলাপ ইতিবাচক ধারায় এগোচ্ছে এবং এই সফর সেই সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।

ড. খলিলুর রহমান বৈঠকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভের প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। একই সঙ্গে মস্কোর সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সমর্থন ও সহযোগিতার কথা স্মরণ করে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষভাবে স্বাধীনতার পর চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে মাইনমুক্ত করতে সোভিয়েত নৌবাহিনীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, জ্বালানি, শিক্ষা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে বিস্তৃত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এসব ক্ষেত্রে আরও কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।

তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পকে বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্কের অন্যতম বড় যৌথ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং প্রকল্পটির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠক শেষে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন। সেখানে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে সহযোগিতা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে। দুই দেশের বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অতিক্রম করেছে। পাশাপাশি জ্বালানি, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতেও সহযোগিতা ক্রমশ বাড়ছে।

জাতীয় বিভাগের অন্যান্য খবর

 Somoyer Kotha
Follow Us

৪র্থ তলা, হাউজ# ২৭, রোড# ১ ব্লক# এ বনশ্রী , রামপুরা, ঢাকা।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া

নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

©️২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com