ঢাকা, ২৩ অক্টোবর শুক্রবার, ২০২০ || ৮ কার্তিক ১৪২৭

প্রিয় শিশু সন্তানকে অনলাইনের অত্যাচার থেকে বাঁচানোর সহজ উপায়:

ক্যাটাগরি : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রকাশিত: ১৭১৭ঘণ্টা পূর্বে   ৫০


প্রিয় শিশু সন্তানকে অনলাইনের অত্যাচার থেকে বাঁচানোর সহজ উপায়:

 

প্রযুক্তি ডেক্স: প্রিয় শিশু সন্তান বায়না ধরে মোবাইল বা ট্যাব ব্যবহার করছে। অনেকের হাতে আমরা হয়ত সার্বক্ষণিক ব্যবহারের জন্যই তুলে দিচ্ছি স্মার্ট ফোন বা ট্যাব। শহরের বেশির ভাগ বাচ্চারাই ওয়াইফাই ব্যবহার করতে জানে, ইউটিউবে কার্টুন দেখে, নিজেরাই গুগল এ্যাপ থেকে বিভিন্ন গেমিং এ্যাপ ডাউনলোড করে। অনেকেই নতুন নতুন গেমের খোঁজ নেওয়ার জন্য, ডাউনলোড করা নতুন গেম খেলা শিখতে গুগলে সার্চ করে। এইগুলো করতে গিয়ে অনেক সময় অভিভাবকদের অজান্তেই ঘটে যাচ্ছে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা, নানান বিপত্তি। আমাদের শিশুরা দুর্ঘটনাক্রমে পরিচিত হচ্ছে, মুখোমুখি হয়ে যাচ্ছে ক্ষতিকর নানা বিষয়ের সঙ্গে।
একটা উদাহরণ দিই। অনেক শিশু পুরো শব্দ বা বাক্য টাইপ করতে জানে না, কিন্তু গুগলে ভয়েস সার্চ করতে জানে। উচ্চারণগত কারণে হয়ত শিশুটি চাইলো এক জিনিস, আর গুগল দিয়ে দিলো কোন পর্ন সাইটের খোঁজ!
অভিভাবকদের সতর্ক হওয়াটা খুব দরকার। নানা উপায় অবলম্বন করে এসব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব, অন্তত সীমিত পরিসরে হলেও। যেমন- গুগলের এবং ইউটিউবের সেটিংসে প্যারান্টাল কন্ট্রোল একটিভ করে রাখা। এক্ষেত্রে দারুণ কার্যকর একটি উপায় হলো- গুগল ফ্যামিলি লিংক এ্যাপ। দুটো এ্যাপস আছে- একটি অভিভাবকের জন্য, অন্যটি বাচ্চা যে ডিভাইসটি ব্যবহার করে সেটির জন্য। এর পর থেকে বাচ্চা দিনের কোন সময় ও কতক্ষণ স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারবে, কোন কোন এ্যাপ ডাউনলোড বা ব্যবহার করতে পারবে, ইউটিউব দৈনিক সর্বোচ্চ কতটুকু সময় ব্যবহার করতে পারবে তার প্রায় সবই অভিভাবক নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এমনকি বিশ্বের যেকোনও জায়গা থেকে বাচ্চার সেই স্মার্ট ফোন বা ট্যাব বন্ধও করে ফেলা যায়! প্রিয় শিশু কোথায় আছে, কী ডাউনলোড করতে চাইছে, কোন ওয়েবসাইট দেখছে-পুরো বিষয়গুলোই এই দুটি এ্যাপের মাধ্যমে নজরদারি করা যায়।
এ্যাপ স্টোর থেকে বিনামূল্যেই পাওয়া যায় এ্যাপ দুটো।

ইমাবা ৷ সকডক ৷

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন: