ঢাকা, ২৩ অক্টোবর শুক্রবার, ২০২০ || ৮ কার্তিক ১৪২৭

আদরের রাসেলের যেদিন জন্ম হয় পিতা মুজিব সেদিন চট্টগ্রামেঃমোহাম্মদ হাসান

ক্যাটাগরি : মুক্তমত প্রকাশিত: ১৩৮ঘণ্টা পূর্বে   ৬৩


আদরের রাসেলের যেদিন জন্ম হয় পিতা মুজিব সেদিন চট্টগ্রামেঃমোহাম্মদ হাসান

সকলের অতি আদরের শেখ রাসেল আজ সকলের ভালোবাসার নাম। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা ফজিলাতুননেছা মুজিবের পাঁচ ছেলেমেয়ের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ছিলেন শেখ রাসেল। বড় বোন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা, বড় ভাই শেখ কামাল ও শেখ জামাল এবং আরেক বোন শেখ রেহানা। মৃত্যুকালে শেখ রাসেল ছিলেন ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র।  পাঁচ ছেলেমেয়ের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ছিলেন শেখ রাসেল। বড় বোন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বড় ভাই শেখ কামাল ও শেখ জামাল এবং আরেক বোন শেখ রেহানা। মৃত্যুকালে শেখ রাসেল ছিলেন ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র। 


তখন একদিকে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান, অন্যদিকে সম্মিলিত বিরোধীদলের প্রার্থী কায়দে আজম মুহম্মদ আলী জিন্নাহর বোন ফাতেমা জিন্নাহ। অনিশ্চয়তা আর অন্ধকারের মাঝেও এ অঞ্চলের মানুষ স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে।যিনি এই স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটিয়ে বাঙালি জাতিকে মুক্তির স্বাদ, তার ঘর আলো করে জন্ম নিল এক ছোট্ট শিশু। ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবরে ধানমন্ডির বিখ্যাত ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক বাড়িটি (বঙ্গবন্ধু ভবন) আলোকিত করে এলো শেখ রাসেল। রাসেলের যেদিন জন্ম হয় "বঙ্গবন্ধু" সেদিন ফাতেমা জিন্নাহর পক্ষে প্রচারণায় অংশগ্রহণের জন্য চট্টগ্রামে অবস্থান করছিলেন।


রাসেল নামটি রেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর প্রিয় লেখক ছিলেন বার্ট্রান্ড রাসেল। পৃথিবী বিখ্যাত বৃটিশ দার্শনিক সাহিত্যে নোবেল পুস্কারপ্রাপ্ত বার্ট্রান্ড রাসেলের নামের সঙ্গে মিলিয়ে তিনি পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ সদস্যের নাম রাখলেন রাসেল, শেখ রাসেল।  


বার্ট্রান্ড রাসেল কেবলমাত্র একজন দার্শনিকই ছিলেন না। বিজ্ঞানীও ছিলেন। ছিলেন পারমাণবিক যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনের একজন বড় মাপের বিশ্বনেতাও। বিশ্ব শান্তি রক্ষার জন্যে বার্ট্রান্ড রাসেল গঠন করেছিলেন—কমিটি অব হানড্রেড। এই পৃথিবীটাকে মানুষের বসবাসের জন্য সুন্দর ও শান্তিময় করার লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন তিনি নিরলস।


শিশু রাসেলের জীবনের বেশিরভাগ সময়ই কেটেছে পিতা মুজিবকে ছাড়া। কারণ, বাবা মুজিব রাজনৈতিক বন্দি হয়ে কারাগারে ছিলেন দিনের পর দিন। আর চোখের সামনে বাবাকে দেখতে না পেয়ে মা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে একপর্যায় "আব্বা" বলেই সম্বোধন করতে লাগলেন। এই চাপা কষ্ট যেমন অনুভব করতেন শিশু রাসেল, ঠিক তেমনি বাবা মুজিবও। "কারাগারের রোজনামচা" য় শেখ রাসেলকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, "৮ ফেব্রুয়ারি ২ বছরের ছেলেটা এসে বলে,"আব্বা বাড়ি চলো।" কী উত্তর ওকে আমি দিব। ওকে ভোলাতে চেষ্টা করলাম ও তো বোঝে না আমি কারাবন্দি। ওকে বললাম, "তোমার মার বাড়ি তুমি যাও। আমি আমার বাড়ি থাকি। আবার আমাকে দেখতে এসো।" ও কী বুঝতে চায়! কি করে নিয়ে যাবে এই ছোট্ট ছেলেটা, ওর দুর্বল হাত দিয়ে মুক্ত করে এই পাষাণ প্রাচীর থেকে! দুঃখ আমার লেগেছে। শত হলেও আমি তো মানুষ আর ওর জন্মদাতা। অন্য ছেলে-মেয়েরা বুঝতে শিখেছে। কিন্তু রাসেল এখনো বুঝতে শিখেনি। তাই মাঝে মাঝে আমাকে নিয়ে যেতে চায় বাড়িতে।"


আদরের ছোট ভাই শেখ রাসেলের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা "মা-বার সঙ্গে শেখ রাসেল" এ লিখেছেন, "রাসেলের জন্মের আগের মুহূর্তগুলো ছিলো ভীষণ উৎকণ্ঠার। অামি, কামাল, জামাল, রেহানা ও খোকা চাচা বাসায়। বড় ফুফু ও মেঝ ফুফু মার সাথে।


একজন ডাক্তার ও নার্সও এসেছেন। সময় যেন আর কাটে না। জামাল আর রেহানা কিছুক্ষণ ঘুমায় আবার জেগে ওঠে। আমরা ঘুমে ঢুলুঢুলু চোখে জেগে আছি নতুন অতিথির আগমন বার্তা শোনার অপেক্ষায়। মেঝ ফুফু ঘর থেকে বের হয়ে এসে খবর দিলেন আমাদের ভাই হয়েছে। খুশিতে আমরা আত্মহারা। কতক্ষণে দেখবো। ফুফু বললেন, তিনি ডাকবেন। কিছুক্ষণ পর ডাক এলো। বড় ফুফু আমার কোলে তুলে দিলেন রাসেলকে। মাথাভরা ঘন কালোচুল। তুলতুলে নরম গাল। বেশ বড় সড় হয়েছিলো রাসেল।"



প্রো-ভিসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; চেয়ারম্যান, বেগম বদরুন্নেসা আহমেদ ট্রাস্ট লিখেছেন অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ রাসেলকে নিয়ে স্মৃতিচারণ মূলক লিখায়, রাসেলের জন্মের সময় আমার পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছিল। সকালে রাসেলের জন্মের খবর পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত হলাম। কিন্তু পরীক্ষার কারণে বিকেলে গিয়ে নবজাতক রাসেলকে দেখলাম। রাসেলকে কোলে নিতে সবার মধ্যে রীতিমতো কাড়াকাড়ি। সেখানে ছিল রাসেলের বড় বোন হাসিনার খবরদারি। রেহানাও কম ছিলো না। সেই রাসেল চোখের সামনে আস্তে আস্তে বড় হতে লাগলো।


পাশাপাশি বাসা হওয়ায় রাসেল খেলতে আমাদের বাসায় চলে আসতো। তার মধ্যে একটা স্বাধীনচেতা ভাব ছিল। ছয় দফা আন্দোলনের সময় মুজিব মামা দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। তখন দেখতাম রাসেল জেলখানা থেকে বাবার সাথে দেখা করে বাসায় আসতে চাইতো না। বাসায় এসেই বিষণ্ন মনে বসে থাকতো। বাবাকে খুব মিস করতো রাসেল। একারণে রাসেলে মন ভালো রাখতে একটা সাইকেল কিনে দেয়া হয়। সেই সাইকেল নিয়ে ঘুরাঘুরিতে ব্যস্ত থাকতো সে। মাঝেমধ্যে রাসেল সাইকেল নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে যেত।


রাসেল অনেক ভালোবাসা আর আদরে বড় হলেও তার মধ্যে ব্যক্তিত্ববোধ ছিল। কেউ ডাকলেই সে সহজে কাছে যেত না। নিজের মতো একা থাকতে পছন্দ করতো। সে মায়ের আঁচলের নিচে থাকতে খুব পছন্দ করতো। মায়ের আঁচল ছাড়তেই চাইতো না। রাসেলকে ডিম পোচ দেয়া হলে তাতে নুন আর গোলমরিচের সাথে চিনি দেয়া লাগতো। আমরা সবাই অবাক হতাম। রাসেল তার পছন্দের মেন্যু নিয়ে তখন ভাবতাম এটা আবার কেমন মেন্যু? পরে মনে হয়েছে, আমরা তো ডিমের হালুয়া খাই। সেখানে তো ঘি আর চিনিই দেয়া থাকে। সেই হিসেবে রাসেলের চিনি দিয়ে ডিম পোচ খাওয়া মন্দ ছিল না।


রাসেলকে ঢাকা ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলে ভর্তির পর একজন মাস্টারমশাই রাখা হলো। নাম মনে করতে পারছি না কিন্তু সেই মাস্টারমশাই কামাল-জামালকেও পড়িয়েছেন। সবার ধারণা ছিল রাসেল হয়তো তার কাছেই পড়বে। কিন্তু সেটা হয়নি। তখন অনেক মাস্টার রাখা হয়েছিলো কিন্তু দুই-তিনদিন পরই তাদের বিদায় নিতে হয়েছিল। শুধু ব্যতিক্রম ছিলো গীতালী দাশগুপ্ত। সে সময়কার ইডেন ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট মহিলা কলেজের বাংলার শিক্ষক গীতালী পরীক্ষায় পাশ করলো। রাসেল ধীরে ধীরে গীতালীর ভক্ত হয়ে গেল। মুজিব মামী আশ্বস্ত হলেন যে তাঁর আদরের ছোট সন্তান অবশেষে একজন শিক্ষকের কাছে পড়তে রাজি হয়েছে।


আমার ছোটবোন শান্তা ছিল রাসেলের চেয়ে বয়সে একটু ছোট। রাসেলের পড়ার সময় শান্তাকে গীতালী একটু আদর করলেই রাসেল এটা পছন্দ করতো না। প্রায়ই রাসেল শান্তাকে ঠেলে চেয়ার থেকে সরিয়ে দিতো। প্রিয় শিক্ষকের আদরে কেউ ভাগ বসালে তা সহ্য করতে পারতো না রাসেল। আমরা কথায় কথায় "রাসেলের বিয়ের" কথা বললে সে লজ্জা পেতো। একবার সে বলেছিলো বিয়ে করলে তার রিক্সা লাগবে। অন্য সব শিশুদের মতোই ছিলো সবার আদরের শেখ রাসেল।


মুক্তিযুদ্ধের সময় একটুকু বাচ্চাকে বন্দী করে রেখেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। ছোট্ট একটা বাসার মধ্যে মা, ভাই-বোনদের সাথে বন্দী ছিলো রাসেল। তবে ২৭ জুলাই সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মের পর ভাগ্নেকে কাছে পেয়ে রাসেল খুব খুশি হয়। ছোট্ট একটা শিশুকে কাছে পেয়ে বেশি খুশি হয়েছিল রাসেল। সবসময় জয়ের দিকে খেয়াল রাখতো ছোট্ট রাসেল।


স্বাধীনতার পর বাবাকে কাছে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা শেখ রাসেল সবসময় আশঙ্কায় থাকতো। কারণ তার জন্মের পর বাবাকে একনাগাড়ে কাছে পাওয়ার অভিজ্ঞতা নেই। তবে সবসময় বাড়ি ভর্তি মানুষজন। সবাই বাবার সাথে দেখা করে বাবাকে নিয়ে ব্যস্ত রাখতো। কিন্তু রাসেলের বাবা বঙ্গবন্ধু যে স্বাধীন বাংলাদেশের সবার নয়নের মনি সেটা বুঝতে চাইতো না রাসেল। তার টার্গেট থাকতো কীভাবে সবসময় বাবার কাছে থাকা যায়। একারণে বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ঢাকার বাইরেও রাসেলকে নিয়ে যেতেন।


স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু চিকিৎসার জন্য সপরিবারে লন্ডনে গেলে রাসেল খুব মজা পেয়েছিলো। একইভাবে ১৯৭৩ সালে রাসেল যখন বাবার সাথে জাপান সফরে গিয়েছিলো তখন শেখ রেহানাও সফরসঙ্গী ছিলেন। বিদেশ সফরের অভিজ্ঞতা অন্য শিশুদের জানাতো রাসেল।


১৯৭৫ সালে শেখ কামাল ও শেখ জামালের বিয়ের সময় রাসেল খুব খুশি হয়েছিলো। বড় ভাবী সুলতানা কামাল খুকিকে খুব পছন্দ হয় রাসেলের। তাইতো বড় ভাবীর আচল ধরে থাকতো রাসেল। আর জামালের বউ রোজী তো রাসেলের ফুফাতো বোন। রাসেলের অনেক পরিচিত। রোজী আপা থেকে ভাবী হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা রাসেলের কাছে ভিন্ন রকম মনে হয়েছিল। পুরো বিয়ে বাড়িতে রাসেল দুই ভাবীর আশেপাশে ঘুরঘুর করতো।


আমি ১৫ আগষ্টের কথা চিন্তা করলেই শিউরে উঠি। এতবড় শোক বয়ে চলা বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার জন্য অত্যন্ত বেদনার। ছোট্ট রাসেলের মৃত্যুর কথা বলতেই দুই বোন আবেগ আপ্লুত হয়ে যান। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর ঘাতকেরা যখন হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছিল তখন আমাদের বাসা চারদিক থেকে সশস্ত্রভাবে ঘিরে রাখে। একসময় আমাদের ঘরে বাইরে নিয়ে আসে সেনাবাহিনীর ঘাতকেরা। গুলাগুলির অনেক পরে একটা মেয়ের গলা ভয়ে আতঙ্কে কেঁদে উঠে। আস্তে আস্তে গলার কান্নার আওয়াজ বাড়তে থাকে। তারপর দুইটি গুলির শব্দ; এরপর সবকিছু চুপ। আমি শুনেছি রাসেল যখন মায়ের কাছে যাবে বলে কান্নাকাটি করেছে তখন ঘাতক সেনারা রাসেলকে দোতলায় নিয়ে যায়। রাসেলকে দেখে দুই ভাবী জড়িয়ে ধরে। তখন তাদের ওপর গুলি চালানো হয়। যখন লাশ সরানো হয় তখনও নাকি রাসেলকে খুকি ও রোজী জড়িয়ে ধরে রেখেছিল।


যে এত আহ্লাদে একটা বাচ্চা! সেই বাচ্চা মৃত্যুর আগে দেখলো বাবা-মা, ভাই-ভাবীদের লাশের সারি। রাসেলকে যখন নিচতলা থেকে দোতলা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তখন শিশু রাসেল নাকি নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছিলো। আমার খুব মনে হয়েছিল, রাসেল নিশ্চয়ই বেঁচে আছে। ঘাতকেরা চলে গেলে রাসেলকে আমাদের বাসায় নিয়ে আসবো। ওকে নিরাপদে রাখবো। হাসিনা ও রেহানার কাছে পাঠিয়ে দিবো। কিন্তু, ঘাতকেরা শিশুহত্যার মাধ্যমে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে পৃথিবীর ইতিহাসে নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের ঘৃণ্য ইতিহাস রচনা করে।


শেখ রাসেল আমার কাছে আদুরে এক নাম; এক হতভাগা শিশুর নাম। যে বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি সৈন্যরা হত্যা করতে সাহস করেনি সেই মহানায়ককে হত্যা করেছে একদল বিশ্বাসঘাতক। তাদের আমি আজীবন অভিশাপ দিয়েই যাবো।


শিশু রাসেল তাঁর ১১ বছরের জীবদ্দশায় কেমন ছিলো, কীভাবে পড়াশোনা করতো, ভালো না লাগলে শিক্ষককে বারণ করা, প্রিয় শিক্ষককে ফোন করার বিষয়গুলো আমাদের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা জানে? শিশু রাসেলের জীবন গল্প আমাদের শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে আমরা কীভাবে উপস্থাপন করেছি কিংবা আদৌ করা সম্ভব হয়েছে? পাঠ্যপুস্তকে শিশু রাসেলের জীবনগল্প নিয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কী তুলে ধরেছি?


তথ্যসূত্রঃ বিভিন্ন সাময়িক,সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন।

সম্পাদনায়ঃ মোহাম্মদ হাসান, সাংবাদিক ও কলামিস্ট। 

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন: