ঢাকা, ৩১ অক্টোবর শনিবার, ২০২০ || ১৫ কার্তিক ১৪২৭

ঘিওরে পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন পাট চাষীরা

ক্যাটাগরি : সবারকথা বিশেষ প্রকাশিত: ২১১৫ঘণ্টা পূর্বে   ৭৮


ঘিওরে পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন পাট চাষীরা

নাহিদ শিকদার: মানিকগঞ্জ জেলার সব কয়টি উপজেলায় প্রতি বছর প্রচুর পাট চাষ হয়। এ বছর জেলায় পাটের  বাম্পার  ফলন হয়,তারপর ও কৃষকের মুখে হাসি নেই।কারণ তারা পাটের ন্যায্য মুল্য পাচ্ছেন না।

পাট শিল্পের সাথে বাংলার মানুষের ইতিহাস ও  ঐতিহ্য রয়েছে।একসময় পাট রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অজ'ন করে।  সারা বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের পাটের চাহিদা অন্যতম। তাই বিশ্বের  বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের পাট রপ্তানি হয়। যার কারনে প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়।তাই পাটকে সোনালি আশ নামকরণ করা হয়। কিন্তু পাটের ন্যায্য দাম না পেয়ে কৃষকরা পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

পাটের বাম্পার  ফলন হওয়া ঘিওর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে সরেজমিনে গিয়ে  দেখা যায় জাগ দেওয়া পাটের আঁশ ছাড়ানো, রোদে শুকানোতে  ব্যস্ত সময় পার করছেন পাট চাষীরা ।কিন্তু  তারা পাটের ন্যায্য মুল্য  পাচ্ছেন না।  ঘিওর ইউনিয়নের রামকান্ত পুর গ্রামের পাট চাষী 'জনতার বিবেককে'আফেজ উদ্দীন বলেন এ বছর তিন বিঘা পাট বুনছি। কিন্তু বাজারে পাটের দাম এহেবারে  কম।পাটের আসল দাম  পামু কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আচে। পাটের বীজের দাম, হালচাষ,পাট ক্ষেত নিড়ানো  আঁশ ছাড়ানো, রোদে হুকানো  প্রচুর খরচ হয় পাট চাষে। 

তারপর ও যদি আসল দাম  না পাই তা অইলে আর পাট বুনুম না।ঘিওর উপজেলার বড়টিয়া ইউনিয়নের পাট চাষী রশিদ মিয়া বলেন, আমি এবার ২ বিঘা পাট বুনছি, কিন্তু পাটের দাম তেমন নাই বাজারে, পাট চাষে অনেক পরিশ্রম করন লাগে, কিন্তু তেমন দাম নাই।পাটের ব্যাপারি পাটের দাম কয় কম,বলে চাহিদা নাই। আমরা চাষিরা পড়ছি বিপদে।এত পরিশ্রম আর কত খরচ,কিন্তু দাম নাই। তাই আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই সরকার যেন আমাদের দিকে সুদৃষ্টি দেন।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন: