হরমুজ প্রণালির কাছে মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন ড্রোন আটকের দাবি ইরানের
হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চালকবিহীন সাবমেরিন ড্রোন আটকের দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
তেহরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আইআরজিসির নৌবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, জব্দ করা ডুবোযানটি যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিসম্পন্ন সামরিক ড্রোনগুলোর একটি। এটি ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিলের তৈরি ‘ডাইভ-এলডি’ মডেলের ডুবোযান বলে শনাক্ত করা হয়েছে।
প্রায় ১৯ ফুট দীর্ঘ এই ড্রোনটির আনুমানিক মূল্য ২৫ লাখ মার্কিন ডলার। সমুদ্রের তলদেশে টানা ১০ দিন পর্যন্ত অবস্থান করতে সক্ষম ডুবোযানটি সর্বোচ্চ ৬ হাজার মিটার গভীরতায় কাজ করতে পারে। মাইন অপসারণ, সমুদ্রের নিচে অবকাঠামো পরিদর্শন এবং গোয়েন্দা নজরদারিসহ বিভিন্ন কাজে এটি ব্যবহারের উপযোগী।
ড্রোনটি আটকের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছে আইআরজিসি। এর মাধ্যমে চালকবিহীন সামরিক প্রযুক্তি ব্যবহারে নিজেদের সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেছে ইরানি বাহিনী।
তবে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের দাবি, ইরানের হাতে যাওয়ার এক দিনেরও বেশি আগে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ড্রোনটি অচল হয়ে পড়েছিল।
মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য, সাগরে একটি পর্যবেক্ষণ মিশনে থাকা ডুবোযানটি পুরোনো মডেলের ছিল। এতে কোনো স্পর্শকাতর তথ্য, গোপন সোনার বা রাডার সরঞ্জাম ছিল না বলেও দাবি করেছে তারা।
ড্রোনটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিলও একটি স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ব্যবহারের বিষয়টি মাথায় রেখেই এ ধরনের ডুবোযান তৈরি করা হয়। ফলে মিশনের সময় কোনো ড্রোন নিখোঁজ হওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়াকে তারা সম্ভাব্য ঝুঁকির অংশ হিসেবেই বিবেচনা করে।
ইরানের দাবি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাখ্যার মধ্যে পার্থক্য থাকায় ড্রোনটি কীভাবে ইরানের হাতে পৌঁছেছে, তা নিয়ে দুই দেশের বক্তব্যে স্পষ্ট অমিল দেখা যাচ্ছে।
হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া
নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com