কুয়ায় ৯৬ঘণ্টা ধরে আটকা শিশু
গত ২৪ ডিসেম্বর রাজস্থানের কোতপুতলি-বেহরোর জেলার সরুন্ড এলাকায় খেলার সময় ৭০০ ফুট গভীর একটি কুয়াতে পড়ে যায় চেতনা। প্রথমে তার বাবা-মা বিষয়টি বুঝতে পারেননি। পরে কুয়ার ভেতর থেকে কান্নার আওয়াজ শুনে প্রতিবেশীদের সাহায্যে তারা চেতনাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। তবে কুয়ার গভীরতা বেশি হওয়ায় তারা ব্যর্থ হন। উদ্ধারকারীরা গভীর রাতে চেতনাকে উদ্ধারে বোরওয়েলে একটি রিং রড ঢোকান। কিন্তু সে চেষ্টাও ব্যর্থ হয়।
চার দিন ধরে সব ধরনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন জাতীয় ও রাজ্য বিপর্যয় বাহিনীর উদ্ধারকারীরাও। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার রাত থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হওয়ায় ধীরগতিতে চলছে উদ্ধার কাজ। শুক্রবার চেতনাকে উদ্ধারে ব়্যাট-হোল মাইনার্সদের কাজে নামানো হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে এ কৌশল ব্যবহার করছেন বিশেষজ্ঞরা।
মেঘালয়ে কয়লা তোলার জন্য র্যাট-হোল মাইনিং ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতি খুব ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সরু ও গভীর গর্তে আটকে থাকা শিশুকে উদ্ধার কার্যকর হতে পারে। কারণ এই পদ্ধতিতে খোঁড়াখুঁড়ির জেরে ধস নামার সম্ভাবনা থাকে।
একের পর এক দুর্ঘটনার কারণে ২০১৪ সাল থেকে ‘র্যাটহোল মাইনিং’ নিষিদ্ধ করা হয়। ২০১৪ সালে মেঘালয়ে এক দুর্ঘটনার পর এটি নিষিদ্ধ হয়েছিল। তবে ২০২৩ সালের নভেম্বরে উত্তরাখণ্ডের সিলকিয়ারা টানেলে ৪১ শ্রমিককে উদ্ধার করতে ফের এই পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে সাফল্য পাওয়া যায়।
কোটপুতলি-বহরোড়ের জেলাশাসক কল্পনা আগরওয়াল বলেন, সোমবার ৭০০ ফুট কুয়ায় একটি শিশু পড়ে যায়। কুয়ার ১৫০ ফুট গভীরে আটকে ছিল সে। কিন্তু আধুনিক কৌশল ব্যবহার করে শিশুটিকে ৩০ ফুট পর্যন্ত তুলে আনা হয়েছে। তার পর থেকেই নানা রকম জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। সব থেকে বেশি সমস্যা হয়েছে বৃষ্টির জন্য। এর মধ্যে বড় চ্যালেঞ্জ এখনও ১২০ ফুট উপরে তুলে আনতে হবে চেতনাকে। প্রায় তিন দিন খাবার, পানি ছাড়া বেঁচে রয়েছে সে। তাকে কুয়া থেকে বের করে আনা হবে উৎকণ্ঠার প্রহর গুনছেন সবাই।
৯৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও ভারতের রাজস্থানে কুয়াতে পড়ে যাওয়া তিন বছরের শিশু চেতনাকে উদ্ধার করা যায়নি।
হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া
নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com