ঢাকা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশিত : ০৮:১৪ এএম, ১২ অক্টোবর ২০২৬
Digital Solutions Ltd

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, রুপা ১ হাজার ৮৮ ভরি

প্রকাশিত : ০৮:১৪ এএম, ১২ অক্টোবর ২০২৬

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা পড়া স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কার।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা পড়া স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কারের ওজন নির্ধারণ সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ ছয় বছর পর পরিচালিত এই কার্যক্রমে ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ এবং ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা পাওয়া গেছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে অলঙ্কারগুলোর ওজন নির্ধারণের কাজ শেষ হওয়ার তথ্য জানানো হয়। তবে দানবাক্সে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার গণনা শেষ করতে রাত ৮টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে জানান রূপালী ব্যাংকের এজিএম মোহাম্মদ আলী হারিছী।

সোমবার সকাল পৌনে ১০টা থেকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে স্বর্ণ ও রুপার ওজন নির্ধারণ, স্বর্ণের ক্যারেট পরীক্ষা এবং বৈদেশিক মুদ্রা গণনার কার্যক্রম শুরু হয়। ট্রেজারিতে সংরক্ষিত নয়টি মাঝারি আকারের প্লাস্টিকের কনটেইনার ও ছয়টি সিলগালা করা খাম খুলে এসব মূল্যবান সামগ্রী পরীক্ষা করা হয়।

পরবর্তী সময়ে স্বর্ণ ও রুপার বাজারমূল্য নির্ধারণ করে নিলামের মাধ্যমে বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত নয় সদস্যের একটি উপকমিটির তত্ত্বাবধানে পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, আনসার ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি জেলা জুয়েলারি সমিতির ১০ জন সদস্য সহযোগিতা করছেন।

ওজন ও পরিমাপের কার্যক্রম চলাকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. ইশতিয়াক ইমন, জেসমিন আক্তার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, এর আগে ২০২০ সালের ১১ মার্চ পাগলা মসজিদের দানসিন্দুকে জমা পড়া ৪২০ ভরি স্বর্ণ ও ১৮৮ ভরি রুপার অলঙ্কার নিলামে বিক্রি করা হয়। সেগুলো বিক্রি করে পাওয়া যায় ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ১১০ টাকা। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রি করে আরও ৭০ লাখ টাকা আয় হয়েছিল।

সর্বশেষ চলতি বছরের ২৭ জুন পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে নগদ ১৫ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এরপর দানবাক্সে জমা হওয়া স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ নির্ধারণের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

এ ছাড়া মসজিদের নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর পর থেকে অনলাইনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ১০৬ টাকা অনুদান পাওয়া গেছে।

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে দেশি-বিদেশি মুদ্রার পাশাপাশি ভক্ত ও দর্শনার্থীরা স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কার দান করে থাকেন। নির্দিষ্ট সময় পরপর দানবাক্স খোলা হয় এবং সংগৃহীত অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী মসজিদের তহবিলে জমা রাখা হয়।

সূত্র: প্রদত্ত তথ্য ও জেলা প্রশাসনের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদন।

জাতীয় বিভাগের অন্যান্য খবর

 Somoyer Kotha
Follow Us

হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া

নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com