আবু সাঈদের পরিবার
পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকায় ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করে।
রায় ঘোষণার পর রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুরের জাফর পাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম। তারা রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
মকবুল হোসেন বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত ছিল। তার দাবি, প্রভাবশালী কয়েকজনকে বিচারের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে এবং কিছু অভিযুক্ত এখনও পলাতক। তিনি সরকারের কাছে পলাতকদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পরিবারের পক্ষ থেকে পরবর্তী করণীয় আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
মনোয়ারা বেগম বলেন, আরও বেশি আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তারা সন্তুষ্ট হতেন। তার ভাষ্য, তার ছেলে নৃশংস নির্যাতনের শিকার হয়েছে এবং তারা পূর্ণ বিচার পাননি বলে মনে করেন।
ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুইজন হলেন এএসআই (সশস্ত্র) আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। তারা বর্তমানে গ্রেপ্তার অবস্থায় রয়েছেন। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত তিনজন হলেন তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান জীবন, তাজহাট থানার তৎকালীন পরিদর্শক (নিরস্ত্র) রবিউল ইসলাম নয়ন এবং এসআই বিভূতি ভূষণ রায় মাধব। তাদের প্রত্যেককে পৃথক ধারায় আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মামলায় মোট ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে রায় দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ জনের মধ্যে পাঁচজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, আটজনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১১ জনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একজনের ক্ষেত্রে হাজতে কাটানো সময়ই দণ্ড হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। দণ্ডিতদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং রায় ঘোষণার সময় তাদের আদালতে হাজির করা হয়।
রায়টি তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল প্রদান করেন, যার নেতৃত্বে ছিলেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
৪র্থ তলা, হাউজ# ২৭, রোড# ১ ব্লক# এ বনশ্রী , রামপুরা, ঢাকা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া
নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
©️২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com