কবিরহাটে সমাজকর্মীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর ভিডিও ও অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত শুরু।
নোয়াখালীর কবিরহাটে এক নারীর সঙ্গে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সমাজকর্মী মফিজুর রহমানের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে ওই নারীর সঙ্গে তিনি সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আরেক নারীকে ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে কবিরহাট উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে গিয়ে ভিডিওর ব্যক্তিকে মফিজুর রহমান নিজেই বলে শনাক্ত করেন তিনি। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে মফিজুর রহমান দাবি করেন, ওই নারী তাকে ফাঁদে ফেলেছেন এবং তিনি কাউকে বাধ্য করেননি।
মফিজুর রহমান কবিরহাট উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের নরোত্তমপুর, চাপরাশিরহাট, বাটইয়া ইউনিয়ন ও কবিরহাট পৌরসভা এলাকার সমাজকর্মী হিসেবে কর্মরত। তিনি উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নবগ্রাম এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মফিজুর রহমানকে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায় বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ওই নারী বাটইয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে মফিজুর রহমান তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া অন্য এক নারীকে ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে তিন হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ-সংক্রান্ত একটি অডিও কথোপকথনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। ওই অডিওতে বিকাশের মাধ্যমে টাকা দিতে চাইলে নগদে টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে মফিজুর রহমান বলেন, ওই নারী তার পূর্বপরিচিত। একদিন ওই নারী তাকে একা একটি কক্ষে নিয়ে শরবতের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে খাইয়েছিলেন। এরপর কী ঘটেছিল, তা তিনি জানেন না বলে দাবি করেন। টাকা চাওয়ার অডিওর বিষয়টি কর্তৃপক্ষ আগেই জেনেছিল এবং তাকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
কবিরহাট উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন বলেন, তিনি দুই মাস আগে দায়িত্ব নিয়েছেন। আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত অফিসিয়াল ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোয়াখালী জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক জেড এম মিজানুর রহমান খান জানান, বিষয়টি জানার পর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন, অর্থ ও প্রতিষ্ঠান শাখা) মোহাম্মদ আবুল কাশেমকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া
নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com