আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’ উপলক্ষে দেশের প্রবীণ নাগরিকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি প্রবীণদের সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ বছরের আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের প্রতিপাদ্য—‘The Age of Longevity: Rethinking Systems for Longer Lives’। বাণীতে তারেক রহমান বলেন, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতির ফলে বিশ্বজুড়ে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। দীর্ঘায়ু মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করলেও দীর্ঘ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও পারিবারিক সহায়তার ব্যবস্থাগুলো সময়োপযোগী করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, প্রবীণদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার সচেতন ও সতর্ক। একটি কল্যাণমুখী ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রবীণদের সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বাণীতে তিনি আরও বলেন, প্রবীণ বয়সে নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবনযাপনের সুযোগ তৈরি, বয়স্ক ভাতা সম্প্রসারণ এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রবীণদের অবহেলা না করে তাদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রাখা এবং সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য বয়স্ক ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি এবং উপকারভোগীর সংখ্যা সম্প্রসারণ করা হয়েছে বলেও বাণীতে উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী শক্তিশালী করার কার্যক্রম এগিয়ে চলছে বলে জানান।
তারেক রহমান বলেন, প্রবীণরা পরিবার ও সমাজের ভিত্তি। তাদের ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার ওপর দাঁড়িয়েই আজকের বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। তাই একটি কল্যাণমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে প্রবীণদের প্রতি যত্নশীল দৃষ্টিভঙ্গি অপরিহার্য।
তিনি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—তিন পর্যায়েই প্রবীণদের প্রতি সম্মান, সহানুভূতি ও দায়িত্বশীলতার চর্চা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার কথা বলেন।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রবীণ নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে। পাশাপাশি ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ বজায় রাখার মাধ্যমে সমাজে প্রবীণদের যত্ন, সম্মান ও মর্যাদা আরও সুরক্ষিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে দেশের সব প্রবীণ নাগরিকের প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এমন একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য রয়েছে, যেখানে তরুণ কিংবা প্রবীণ—প্রতিটি মানুষ নিজের সর্বোচ্চ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও পরিপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে।
তিনি ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস-২০২৬-এর সার্বিক সফলতা কামনা করেন।
হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া
নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com