ঢাকা, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬
আন্তর্জাতিক :
প্রকাশিত : ০৭:১৭ এএম, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
Digital Solutions Ltd

উহুদ পাহাড়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) তিন দিন সেজদায় ছিলেন—দাবিটির সত্যতা কী?

প্রকাশিত : ০৭:১৭ এএম, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

সৌদি আরবের মদিনায় উহুদ পাহাড়ের গায়ে একটি গুহা বা ফাটলের মতো স্থান।

আন্তর্জাতিক :

উহুদ পাহাড়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) টানা তিন দিন সেজদায় ছিলেন—এমন একটি দাবি প্রচলিত থাকলেও এর পক্ষে নির্ভরযোগ্য হাদিস বা স্বীকৃত ইসলামী ইতিহাসে প্রমাণ পাওয়া যায় না। বিষয়টিকে ভিত্তিহীন দাবি বা ভুল ধারণা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ছবিতে উহুদ পাহাড়ের গায়ে যে গুহা বা ফাটলের মতো স্থান দেখা যায়, সেটিকে অনেকে ‘গারে উহুদ’ কিংবা ‘মেহরাবে নববী’ নামে অভিহিত করেন। তবে এসব নামের ঐতিহাসিক গ্রহণযোগ্যতা এবং স্থানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলো যাচাই করা প্রয়োজন।

প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, উহুদের যুদ্ধে আহত হওয়ার পর রাসুলুল্লাহ (সা.) পাহাড়ের একটি নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। এ সময় সাহাবিরা তাঁর পাশে ছিলেন। হজরত ফাতিমা (রা.) ও হজরত আলী (রা.) তাঁর ক্ষতের পরিচর্যা করেন এবং রক্ত পরিষ্কার করেন বলে বিভিন্ন বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে।

তবে ওই নির্দিষ্ট স্থানে রাসুলুল্লাহ (সা.) টানা তিন দিন সেজদায় ছিলেন—এমন কোনো তথ্য সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম কিংবা নির্ভরযোগ্য সিরাত গ্রন্থে পাওয়া যায় না। তাই এ দাবিকে প্রমাণিত ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে প্রচার করার সুযোগ নেই।

স্থানটির মুখ সিমেন্ট ও পাথর দিয়ে বন্ধ করার কারণ হিসেবে দর্শনার্থীদের কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ধর্মীয় আচরণ ও কুসংস্কার ঠেকানোর কথা বলা হয়। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়া কারণটি নিশ্চিতভাবে বলা ঠিক হবে না।

সারকথা: উহুদের যুদ্ধে রাসুলুল্লাহ (সা.) আহত হয়েছিলেন এবং সাহাবিরা তাঁর চিকিৎসা করেছিলেন—এ বিষয়ে ঐতিহাসিক বর্ণনা রয়েছে। কিন্তু উহুদ পাহাড়ের ওই নির্দিষ্ট স্থানে তাঁর টানা তিন দিন সেজদায় থাকার দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।

আন্তর্জাতিক বিভাগের অন্যান্য খবর

 Somoyer Kotha
Follow Us

হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া

নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com