ঢাকা, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
নিউজ ডেস্ক :
প্রকাশিত : ০১:৪০ এএম, ১১ জানুয়ারি ২০২৬
Digital Solutions Ltd

একের পর এক নেতাকর্মী হত্যায় নীরব বিএনপি, তৃণমূলে বাড়ছে হতাশা

প্রকাশিত : ০১:৪০ এএম, ১১ জানুয়ারি ২০২৬

সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক :

মাত্র এক মাস পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশে ফিরে এসেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দলও এখন তুলনামূলক চাঙা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন দলের বহু নেতাকর্মী।

২০২৫ সালের শুধু ডিসেম্বরেই অন্তত ৭০টি সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত এবং শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। হামলার তালিকায় রয়েছে ঢাকা, ঝিনাইদহ, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামসহ একাধিক জেলা

সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের উদাহরণ:

  • ৩ জানুয়ারি: যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনকে গুলি করে হত্যা।

  • ৯ জানুয়ারি: জয়পুরহাটে যুবদল নেতা ইয়ানুল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা।

  • ১৭ ডিসেম্বর: ঈশ্বরদীতে ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বিরু মোল্লাকে গুলি করে হত্যা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, “গণতন্ত্রের পথে উত্তরণ ঠেকাতে কিছু অপশক্তি বাধা সৃষ্টি করতে চায়। তবে এই অপকর্মে আমাদের আন্দোলন বন্ধ হবে না।”

তবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এখন আগের মতো দৃঢ় প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না। স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুসাব্বির হত্যাকাণ্ডের পর সীমিত শোকবার্তা ছাড়া দৃশ্যমান কোনো কর্মসূচি দেখা যায়নি। ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান মুসাব্বির ও রাউজানের যুবদল নেতা জানে আলম শিকদার হত্যাকাণ্ডের পর তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পরও দুষ্কৃতকারীরা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে।”

স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাজধানীর স্বেচ্ছাসেবক নেতা হত্যার ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন হলেও পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।

স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মোরশেদ আলম বলেন, “প্রাক্তন নেতাদের হত্যার প্রতিবাদে দল আগে আন্দোলনমুখী ছিল। এখন নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কারণে সরব হতে পারছে না।”

নিরাপত্তা ঝুঁকি শীর্ষ নেতাদের মধ্যেও:

  • গোপালগঞ্জ-৩ থেকে বিএনপি মনোনীত নেতা এস এম জিলানী বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে জনসভায় অংশ নেন। তিনি জানান, “আমাদের জীবনের হুমকি আছে, তবে জনগণের পাশে থাকার ঝুঁকি নিয়েছি।”

রাজনীতি বিশ্লেষক মহিউদ্দিন খান মোহন বলেন, “মুসাব্বির হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক না ব্যক্তিগত তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতাই প্রকাশ পাচ্ছে। নির্বাচনের কাছাকাছি সময়ে সহিংসতা আরও বাড়তে পারে। প্রতিটি থানায় সেনাবাহিনী মোতায়েন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

রাজনীতি বিভাগের অন্যান্য খবর

 Somoyer Kotha
Follow Us

৪র্থ তলা, হাউজ# ২৭, রোড# ১ ব্লক# এ বনশ্রী , রামপুরা, ঢাকা।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া

নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

©️২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com